Welcome to Consulate General of Bangladesh

 

News

    The Consulate General of the People’s Republic of Bangladesh in Istanbul will remain closed from 17-21 June 2024 (Monday-Friday) on the occasion of the ''Holy Eid-ul-Adha''.

    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল এর পক্ষ থেকে তুরস্কে বসবাসরত সকল বাংলাদেশী নাগরিকদেরকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার আন্তরিক শুভেচ্ছা।

    Wishing you and your family a happy and blessed Eid-ul-Azha.

    Kurban Bayraminiz Kutlu Olsun!




    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল এর পক্ষ থেকে তুরস্কে বসবাসরত সকল বাংলাদেশী নাগরিকদেরকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা।



    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ইস্তাম্বুল কর্তৃক ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪’ উদযাপন 

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল আজ যথাযথ মর্যাদা এবং উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৪’ উদযাপন করেছে। কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম কর্তৃক কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপর, কনসাল জেনারেলের নেতৃত্বে মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অতঃপর দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। বাণী পাঠ শেষে মহান স্বাধীনতা দিবসের উপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এরপর স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    কনসাল জেনারেল তার আলোচনার শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সার্বভৌম বাংলাদেশের রূপকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের আত্মোৎসর্গ ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি আমাদের মহান স্বাধীনতা। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও স্বাধীনতার এই ৫৩ বছরে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রায় সকল সূচকে বাংলাদেশ আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করেছে বলে কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন। তিনি বলেন বাংলাদেশের সফলতার গল্প আজ বিশ্বব্যাপী প্রচারিত ও প্রশংসিত। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে, যা অনেক দেশের কাছে উন্নয়নের রোল-মডেল ও প্রেরণার উৎস। সরকারের সময়োপযোগী নীতি-পরিকল্পনা ও জনবান্ধব উদ্যোগ এবং জনগণের প্রচেষ্টা, দক্ষতা, সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী শক্তির কারণে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। কনসাল জেনারেল ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য উপস্থিত সকলকে আহবান জানান।

    জাতির পিতা ও সকল শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা এবং শান্তির জন্য বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।

    পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট:   https://www.dainikamadershomoy.com/details/018e7a6117c8

                                                   https://www.bnc24.com/world/2024/03/26/news/45845/


    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কর্তৃক যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালন

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালন করেছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। এরপর, দিবসটি উপলক্ষ্যে ১৯৭১ এর গণহত্যার উপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। কনসাল জেনারেল  মোহাম্মদ নূরে-আলম গণহত্যা দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন।


    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল -এ ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস ২০২৪’ উদযাপন

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস ২০২৪’ যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্‍যের সাথে উদযাপন করেছে। কনস্যুলেট প্রাঙ্গনে কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম কর্তৃক জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপর, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের পর মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এরপর, দিবসটি উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর উপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    কনস্যুলেট প্রাঙ্গনে কনস্যুলেটের কর্মকর্তা/কর্মচারী, প্রবাসী বাংলাদেশী এবং তুরস্কের মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল নূরে-আলম তার বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সার্বভৌম বাংলাদেশের রূপকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অবৈতনিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণসহ শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর স্নেহশিলতা ও অবদানের কথা উল্লেখ করেন। সুশিক্ষায় শিক্ষিত মুক্তমনের আজকের শিশুরাই ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার প্রধান শক্তি বলে কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন। তিনি উপস্থিত শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন ও কর্ম সম্বন্ধে জানার জন্য অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থটি পড়তে উৎসাহিত করেন।

    উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিগণ বঙ্গবন্ধুর জীবনি ও কর্মজীবনের উপর আলোচনায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। আলোচকবৃন্দ আমাদের মহান স্বাধীনতা অর্জন এবং পরবর্তী বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর অনন্যসাধারণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। উপস্থিত সকলেই স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। বিশিষ্ট তুর্কি সাংবাদিক জনাব আহমেদ জোস্কুনাইদিন বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, দর্শন ও চিন্তাভাবনা এখনো প্রাসঙ্গিক বলে উল্লেখ করেন। বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালি জাতির পাশাপাশি সারা বিশ্বের মানুষের মঙ্গল কামনায় কাজ শুরু করেছিলেন বলে বিশ্বের বিশিষ্ট নেতাদের কাতারে স্থান করে নিয়েছিলেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে হিসাব মহানিয়ন্ত্রক জনাব আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।      

    দিবসটি উপলক্ষ্যে শিশু-কিশোরদের জন্য বাংলাদেশের পতাকা, মানচিত্র, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর উপর বিশেষ চিত্রাঙ্কন ও বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের ভাষণের অনুকরণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং উৎফুল্ল শিশু-কিশোরদের সাথে নিয়ে কেক কাটেন। অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যবৃন্দ, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট:   https://cbna24.com/62537-2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6/

    https://www.dainikamadershomoy.com/details/018e4dbb2f96


    ইস্তাম্বুলে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত

    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ইস্তাম্বুল-এ যথাযথ মর্যাদায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপিত হয়েছে। কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম কর্তৃক মিশন প্রাঙ্গনে জাতিয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপনের সূচনা হয়। অতঃপর কনসাল জেনারেলের নেতৃত্বে মিশনের কর্মকর্তা কর্মচারীগন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। বাণী পাঠ শেষে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদর্শন করা হয়।

    দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় কনসাল জেনারেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যগনসহ স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মদানকারী সকল শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। কনসাল জেনারেল ৭ই মার্চের ভাষণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী এই ভাষণ ১৯৭১ সালে সকল বাঙ্গালীকে মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। UNESCO কর্তৃক ৭ই মার্চের ভাষণ “World Documentary Heritage” হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি সারা বিশ্বে নিপীড়িত ও নির্যাতিত মানুষের প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে যেমন উদ্বুদ্ধ করেছিল ঠিক তেমনই তাঁর সেই ভাষণ অনন্তকাল ধরে বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ে সাহস ও অনুপ্রেরণা যোগাবে।

    পরিশেষে কনসাল জেনারেল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফল নেতৃত্বে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়নে তাঁর পাশে থাকার জন্য সকলকে আহবান জানান। অনুষ্ঠানে আলোচকবৃন্দ ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার সংকল্প ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠান শেষে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যবৃন্দ, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট:     https://www.dainikamadershomoy.com/details/018e191f193c

                                                     https://www.bnc24.com/world/2024/03/07/news/44933/


    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্তাম্বুল কারিগরী বিশ্ববিদ্যলয়ের মধ্যে সহযোগিতামূলক প্রটোকল স্বাক্ষর

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা, শিক্ষক-ছাত্র বিনিময় এবং গবেষণাধর্মী প্রকাশনা, নিউক্লিয়ার পাওয়ার এবং কৃষি গবেষণায় অংশীদারিত্বের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্তাম্বুল কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সহযোগিতামূলক প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। সহযোগিতামূলক প্রটোকল স্বাক্ষর করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার এবং ইস্তাম্বুল কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর অধ্যাপক ড. ইসমাইল কোয়ুনজু। এই সহযোগিতামূলক প্রটোকল বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা সম্প্রসারণসহ বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার সম্পর্ক আরো সুসংহত ও গতিশীল হবে।

    কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলমের সঞ্চালনায় সহযোগিতামূলক প্রটোকল  স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড.আব্দুল জব্বার খান ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার, ইস্তাম্বুল কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস রেক্টর অধ্যাপক ড. সুলে ইতির সাতোগলু এবং রেক্টর অধ্যাপক ড. ইসমাইল কোয়ুনজু বক্তব্য রাখেন।

    বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড.আব্দুল জব্বার খান এই সহযোগিতামূলক প্রটোকল  সাক্ষর মুহূর্তকে একটি স্মরণীয় সময় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন যে এই সহযোগিতামূলক প্রটোকল স্বাক্ষরের মাধ্যমে দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একসাথে কাজ করার সুযোগ তৈরি হলো। ভাইস রেক্টর  অধ্যাপক ড. সুলে ইতির সাতোগলু তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, প্রজেক্ট, প্রকাশনা ও গবেষণালব্ধ ফলাফল বিনিময়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়দু’টি দারুনভাবে উপকৃত হতে পারে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়দু’টি এ সহযোগিতামূলক প্রটোকল  সাক্ষরের মাধ্যমে প্রথমবারের মত একে অপরের কাছাকাছি আসার সুযোগ সৃষ্টি করলো বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন যে বিশ্ববিদ্যালয়দু’টি সফটওয়্যার টেকনোলজি, গবেষণা, নিউক্লিয়ার পাওয়ার এবং কৃষি গবেষণা খাত সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও একে অপরকে সহযোগিতা করতে পারে।

    ইস্তাম্বুল কারিগরী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর অধ্যাপক ড. ইসমাইল কোয়ুনজু বলেন যে ১৭৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়টি গত বছর তাদের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে। তিনি দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়কে একই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখ করে ছাত্র-শিক্ষক বিনিময়সহ যৌথভাবে বিভিন্ন ধরনের প্রজেক্ট ও গবেষণা চালিয়ে যেতে পারেন বলে মনে করেন। রেক্টর অধ্যাপক ড. ইসমাইল কোয়ুনজু খুব দ্রুতই দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতামূলক  কার্যক্রম শুরুর আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    কনসাল জেনারেল নূরে-আলম প্রকৌশল ও কারিগরী ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় দুই বিশ্ববিদ্যালয় স্ব-স্ব দেশের অবকাঠামোগত ও কারিগরী সকল ক্ষেত্রে অবদান রাখছে বলে উল্লেখ করেন। এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতামূলক স্বাক্ষরিত প্রটোকল বাংলাদেশ- তুরস্ক সম্পর্ককে আরো গভীর ও শক্তিশালীকরণে ভূমিকা রাখবে, এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে কনসাল জেনারেল অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

    পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট:   https://dainikamadershomoy.com/details/018deb21963f

                                                   https://www.prothomalo.com/education/campus/p98rwxxcbd

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল-এ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল “মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৪” যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করেছে। জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির শুরু হয়। এরপর, কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলমের নেতৃত্বে মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ প্রভাতফেরির মাধ্যমে ভাষা শহিদদের স্মরণে কনস্যুলেট প্রাঙ্গনে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ভাগে ইস্তাম্বুলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীবৃন্দ এবং তুরস্কের মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনার শুরুতে ভাষা শহিদদের স্মরণে একমিনিট নিরাবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। এরপর, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ভাষা আন্দোলন’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়। প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পর বিষয়ভিত্তিক আলোচনার আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম তার বক্তব্যে মাতৃভাষা বাংলার অধিকার আদায়ে জীবন উৎসর্গকারী সকল ভাষা শহিদ এবং ভাষা সৈনিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠাসহ জাতীয় গুরূত্বপূর্ণ সকল সংগ্রাম ও লড়াইয়ে নেতৃত্বপ্রদানকারী স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশেষ্ঠ বাঙ্গালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

    কনসাল জেনারেল তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন এবং ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করার জন্য জীবন-উৎসর্গ পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক দিবসে পরিণত হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ফলে আমাদের মহান ভাষা আন্দোলন বৈশ্বিক সম্পদে পরিণত হয়েছে, যা জাতি হিসেবে আমাদেরকে আরো সম্মানিত, গৌরবান্বিত ও মর্যাদাবান করেছে। কনসাল জেনারেল তুরস্কে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে অমর একুশের চেতনা ও প্রেরণাকে ধারণ ও লালন করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পিত স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করার আহবান জানান।

    উন্মুক্ত আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং তুরস্কে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিকাশে তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ ব্যক্ত করেন। তাঁরা কনস্যুলেটের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের প্রশংসা করেন, এবং কনস্যুলেটকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুণর্ব্যক্ত করেন। আলোচনার শেষে একুশের গান পরিবেশন ও কবিতা পাঠ করা হয় যা উপস্থিত দর্শকদেরকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানশেষে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও বিশ্বশান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট:  https://dainikamadershomoy.com/details/018dceed31e2

                                    https://www.dailysabah.com/arts/bangladesh-consulate-observes-language-day-in-istanbul/news


    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনসুলেট জেনারেল-এ বঙ্গবন্ধুর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ পালিত

    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল ১০ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ পালন করে। কনসাল জেনারেল মোহাম্মাদ নূরে আলাম এর নেতৃ্ত্বে মিশনের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করার মাধ্যমে অনুষ্ঠান সূচনা করেন। দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়।

    কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে আলম আলোচনা সভায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্যসহ জাতীয় চার নেতার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তাছাড়া তিনি মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদ এবং সকল মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান। কনসাল জেনারেল তাঁর বক্তব্যে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন, সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর কূটনৈতিক সাফল্য এবং অতি অল্প সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির পুনর্গঠনের বিষয়টি তুলে ধরেন। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ নেতৃ্ত্বে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সামাজিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, মানব উন্নয়ন এর বিষয়ে আলোকপাত করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফল নেতৃ্ত্বে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়নে তাঁর পাশে থাকার জন্য কনসাল জেনারেল সকলকে আহবান জানান। বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

    পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট:   https://www.dainikamadershomoy.com/details/018cf869b03f



    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস ২০২৩ উদযাপন 

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদায় ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস ২০২৩ উদযাপন করেছে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুরু হয় সকালে কনস্যুলেটে প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে।এরপর, দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী সমূহ পাঠ করেন কনস্যুলেটের কর্মকর্তাবৃন্দ। আলোচনার শুরুতে, কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলমের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানের ২য় ভাগে, কনস্যুলেটের কনফারেন্স হলে, তুরস্কের মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং ইস্তাম্বুলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীবৃন্দের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম তার বক্তব্যে স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ, যাদের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিজয়ের এই ৫২ বছরে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রায় সকল সূচকে বাংলাদেশ আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করেছে, কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন। তিনি বলেন বাংলাদেশের সফলতার গল্প আজ বিশ্বব্যাপী প্রচারিত ও প্রশংসিত। তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে, যা অনেক দেশের কাছে উন্নয়নের রোল-মডেল ও প্রেরণার উৎস।সরকারের সময়োপযোগী নীতি-পরিকল্পনা ও জনবান্ধব উদ্যোগ এবং জনগণের প্রচেষ্টা, দক্ষতা, সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী শক্তির কারণে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে বলে, কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন। কনসাল জেনারেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে আহবান জানান। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরকার অনুমোদিত পথে রেমিট্যান্স পাঠানো ও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করেন। অনুষ্ঠানে আলোচকবৃন্দ, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক সামনের দিনগুলিতে আরো সুদৃঢ়, প্রসারিত ও অর্থবহ হবে বলে, আলোচকবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    আলোচনার শেষে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনা মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়, যা উপস্থিত দর্শকদেরকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করে। শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এবং শান্তির জন্য বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।


     শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৩ পালন

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে  ১8 ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৩ পালন করেছে।


    Hon’ble First Lady of Bangladesh Visits Istanbul

    In support and solidarity for Palestine, the First Lady of Türkiye H.E. Mme. Emine Erdoğan hosted a meeting titled “United for Peace in Palestine” for the spouses of the Head of States/ Governments on 15 November 2023 in Istanbul. At the invitation of Turkish First Lady, H.E. Dr. Rebeka Sultana, the Hon’ble First Lady of Bangladesh visited Istanbul, Türkiye on 14-16 November 2023 to attend the meeting. Chaired by the First Lady of Türkiye, the meeting was attended by a number of First Ladies from across the world while the First Ladies of Azerbaijan, Venezuela and Brazil sent video messages to the significant gathering.

    The First Lady delivered a statement in the substantive segment of the meeting titled “One Heart for Palestine”.  Following the substantive session and family photo, Bangladesh First Lady attended the ‘Gaza Exhibition Tour’ at Dolmabahce Palace. In the evening, she attended a dinner hosted by the Turkish First Lady.

    At the end of the meeting, on behalf of the attendee First Ladies, the Turkish First Lady read out a “Joint Call on the World” at a press conference. The Joint Call was meant for drawing international community’s attention to the humanitarian crisis in Gaza, calling for an end to the tragedy, establishment of a just and lasting peace, and to mobilize the international community to take action against these atrocities amounting to war crime.

    The First Lady and her delegation left Istanbul in the evening of 16 November 2023.

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ পালিত

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কনিষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ রাসেল এর ৬০ তম জন্মদিন এবং ‘শেখ রাসেল দিবস ২০২৩’ উদযাপন করেছে।

    দিবসটি উপলক্ষ্যে কনস্যুলেটের উদ্যোগে ইস্তাম্বুল ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের নিয়ে একটি মনোমুগ্ধকার চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। শেখ রাসেল, বাংলাদেশের পতাকা ও মানচিত্র এবং বাংলার গ্রাম ও প্রকৃতি এই বিষয়গুলির উপর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু-কিশোর অংশগ্রহণ করে।

    এরপর, প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে কনস্যুলেটের ফ্রেন্ডশিপ হলে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম উপস্থিত অতিথিবৃন্দদের নিয়ে শহিদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করেন। অতপর, দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়।

    কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি শহিদ শেখ রাসেল এর জীবন এবং দিবসটির প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। কনসাল জেনারেল শেখ রাসেল হত্যাকান্ডকে বিশ্বে মানবাধিকার লঙ্গনের নিকৃষ্টতম উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন । কনসাল জেনারেল উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের তাদের সন্তানদের বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি জানা ও লালন করার উপর গুরূত্বারোপ করেন। আজকের শিশুরা ভবিষ্যতের কান্ডারী, তারাই সামনের দিনগুলিতে নেতৃত্ব দিবে। একটি সুখী-সমৃদ্ধ-সাম্যের পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যে, আজকের শিশুদের আদর্শ মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠার জন্য আমাদের উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। কনসাল জেনারেল বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধনকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান। এর মধ্য দিয়ে দু’দেশের মধ্যে বিরাজমান ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো অর্থবহ ও সুদৃঢ় হবে বলে, তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    প্রবাসী বাংলাদেশিরা সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ রাসেল এর নৃশংস হত্যাকান্ড বাংলাদেশের ইতিহাসের জঘন্যতম ঘটনা বলে সকলে মন্তব্য করেন। শহিদ শেখ রাসেলের বিদেহী আত্মার মাগগিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।



       ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী ও শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল -এর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী পালিত

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল -এর ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করে। এই উপলক্ষ্যে কনস্যুলেটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ইস্তাম্বুলে বসবাসরত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব এম আমানুল হক। বঙ্গমাতা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। এরপর, বঙ্গমাতার গৌরবময় জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।

    কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম শোকাবাহ আগস্ট এ -সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের শহিদ সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। কনসাল জেনারেল বলেন, আমাদের মুক্তিসংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী দেশ পুনর্গঠনের কাজে বঙ্গমাতা অসামান্য ধৈর্য্য, অসীম সহিষ্ণুতা ও অনন্যসাধারণ বিচক্ষণতার স্বাক্ষর রেখেছেন। বঙ্গবন্ধুর কারামুক্তিসহ দল পরিচালনায় নেতা-কর্মীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে তিনি পরামর্শ দিয়েছেন। বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুকে আত্মাবিশ্বাসের সাথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার সাহস ও প্রেরণা দিয়েছিলেন বঙ্গমাতা এবং রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও বঙ্গবন্ধুকে তিনি সহযোগিতা করেছেন । জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি জাতির পিতার পাশে থেকে দেশ ও জাতির মঙ্গলাকাঙ্ক্ষায় নিজেকে উৎসর্গ করে গেছেন।

    "স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনকে সুসংঘঠিতকরণ এবং আধুনিকায়নের অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন শেখ কামাল", কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন। মাত্র ২৬ বছর বয়সে শেখ কামালের অকাল প্রয়াণে বাংলাদেশ তাঁর অবদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। "তিনি বেঁচে থাকলে হয়ত দেশকে আরো অনেক কিছু দিতে পারতেন", কনসাল জেনারেল যোগ করেন।

    মান্যবর রাষ্ট্রদূত বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল সহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সকল শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। বঙ্গমাতার সাহস, সংগ্রাম ও ত্যাগ এবং শহিদ শেখ কামালের আদর্শ-দর্শন, সমাজচিন্তা ও মানবীয় গুনাবলিতে অনুপ্রাণিত হয়ে, ২০৪১ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের উন্নত-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য, মান্যবর রাষ্ট্রদূত উপস্থিত অতিথিবৃন্দকে আহ্বান জানান। 

    প্রবাসী বাংলাদেশিরা সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। বঙ্গমাতা ও  শেখ কামালের ত্যাগ, সংগ্রাম ও কর্ম  প্রজন্মান্তরে আমাদের সকলের জন্য অনুকরণীয় ও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে উপস্থিত সকলে মতামত ব্যক্ত করেন ।


      


    সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

    ইস্তাম্বুল,  ২২ জুন ২০২৩: ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ইস্তাম্বুলে নব-নির্মিত গ্রন্থাগার ‘রামি লাইব্রেরি’- তে ‘বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু’ এর উপর রচিত ২০টি বই উপহার হিসেবে প্রদান করে। কনসাল জেনারেল জনাব মোহাম্মাদ নূরে-আলম রামি লাইব্রেরির পরিচালক জনাব আলি চেলিক এর নিকট বইগুলি হস্তান্তর করেন। হস্তান্তরকৃত বইগুলির মধ্য রয়েছে তুর্কি ভাষায় অনূদিত বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, ০৭ ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ও তুর্কি ভাষায় অনূদিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কামাল পাশা কবিতা।

    তুরস্কের সর্ববৃহৎ গ্রন্থাগার রামি লাইব্রেরিতে তুর্কিসহ অন্যান্য ভাষার ১৬ লাখের অধিক বই রয়েছে। আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন এই গ্রন্থাগারটি ২৪ ঘন্টা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে এবং এই গ্রন্থাগারে ৪২০০ পাঠক একত্রে বসে বই পড়তে পারে। ইস্তাম্বুলের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-ছাত্র-গবেষক ও সাহিত্য-অনুরাগী পাঠক এই গ্রন্থাগারে নিয়মিত পড়াশুনা ও গবেষণার কাজ করেন।

    হস্তান্তরকৃত বইগুলি রামি লাইব্রেরিতে প্রদর্শিত হবে এবং আগত পাঠকগণ তা পড়তে পারবেন। এর ফলে ছাত্র-শিক্ষক-গবেষক ও পাঠ্য অনুরাগী তুর্কি নাগরিকগণ বাংলাদেশ ইতিহাস-ঐতিহ্য, কৃষ্টি-সংস্কৃতি, সাহিত্য এবং বঙ্গবন্ধুর গৌরবজ্জল কর্ম-জীবন সম্পর্কে জানতে পারবে। এছাড়াও, বইগুলির পড়ার মধ্যদিয়ে তুর্কি জনগণের বাংলাদেশে ভ্রমণে আগ্রহের সৃষ্টি হবে বলে কনসাল জেনারেল আশাবাদ ব্যক্ত করেন। রামি লাইব্রেরির পরিচালক জনাব আলি চেলিক কনস্যুলেটকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা সামনের দিনগুলিতে বৃদ্ধি পাবে বলে,  তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন।

    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল  যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রাপ্তির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই কনসাল জেনারেল মোহাম্মাদ নূরে-আলম এর নেতৃত্বে মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পন করেন। এরপর, দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।

    কনসাল জেনারেল মোহাম্মাদ নূরে-আলম বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান রূপকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। কনসাল জেনারেল ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রদানের প্রেক্ষাপট আলোচনা করেন। জনাব নূরে-আলম বলেন, শৈশব থেকে বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিশ্বের মুক্তিকামী, নিপীড়িত, মেহনতি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা। জাতির পিতা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভূদ্বয়ের শুরু থেকে ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারোর প্রতি বৈরিতা নয়’ নীতির ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি ঘোষণা করেছিলেন এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনেতৃবৃন্দকে একযোগে কাজ করার আহবান জানিয়েছিলেন। মানুষের প্রতি বিশেষ করে সমাজের অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের প্রতি বঙ্গবন্ধুর অপরিশীম ভালবাসা এবং অগাধ স্নেহের বর্ণনা দিয়ে, কনসাল জেনারেল বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত এবং সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে,  কনসাল জেনারেল  মন্তব্য করেন।


    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কর্তৃক ‘৫৩তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উদযাপন

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ‘৫৩তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’ উপলক্ষ্যে গত ২৮ এপ্রিল ইস্তাম্বুলস্থ হোটেল সাংগ্রিলা বসফরাস হোটেলে একটি ডিপ্লোমেটিক রিসেপশনের আয়োজন করে, যেখানে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বত্বন কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, কূটনৈতিক কোরের সদস্যবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যায়লের রেক্টর, শিক্ষকবৃন্দ, ব্যবসায়ীবৃন্দ এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ শীর্ষস্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইস্তাম্বুল অফিসের প্রধান রাষ্ট্রদূত আয়শে সোজেন।

    কনসাল জেনারেল মোহাম্মাদ নূরে-আলম স্বাগত বক্তব্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সার্বভৌম বাংলাদেশের রূপকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের  আত্মোৎসর্গ ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি আমাদের মহান স্বাধীনতা। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও গত ৫২ বছরে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে বলে, কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন। সরকারের সময়োপযোগী নীতি-পরিকল্পনা ও জনবান্ধব উদ্যোগ এবং জনগণের প্রচেষ্টা, দক্ষতা, সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী শক্তির কারণে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব এই আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে বলে, তিনি উপস্থিত অতিথিবৃন্দকে অবহিত  করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    রাষ্ট্রদূত আয়শে সোজেন, ৫৩তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে অভিনন্দন জানান। রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে তিনি তুরস্কের জনগণ ও সরকারের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন পুন: ব্যক্ত করেন। তিনি তুরস্কের ভূমিকম্পে সহায়তার জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ-তুরস্ক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক সামনের দিনগুলিতে আরো সুদৃঢ়, প্রসারিত ও অর্থবহ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজমান। সময়ের সাথে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার বন্ধন সুদৃঢ় ও প্রসারিত হয়ছে। সকল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশ এবং তুরস্ক একে অপরকে আন্তরিকভাবে সমর্থন করে বলে, মাননীয় মন্ত্রী মন্তব্য করেন। রোহিঙ্গা সংকটে সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য তিনি তুরস্কের জনগণ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের অপার সম্ভবনার কথা উল্লেখ করে তিনি তুরস্কের ব্যবসায়ীদের/ বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

    পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট: https://www.dailysabah.com/arts/bangladesh-consulate-observes-53rd-national-day-in-istanbul/news-140500



    ইস্তাম্বুলে বসবাসরত সকল বাংলাদেশি নাগরিককে জানাই বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, ইস্তাম্বুল এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এর আন্তরিক শুভেচ্ছা।





    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ইস্তাম্বুল কর্তৃক ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন




    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ইস্তাম্বুল কর্তৃক ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৩’ উদযাপন 

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল আজ যথাযথ মর্যাদা এবং উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৩’ উদযাপন করেছে। কনসাল জেনারেল মোহাম্মাদ নূরে-আলম কর্তৃক কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এরপর, কনসাল জেনারেলের নেতৃত্বে মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করেন। কনস্যুলেটের ‘কনফারেন্স হল’-এ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস’-এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয় এবং মহান স্বাধীনতা দিবসের উপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। 

    কনসাল জেনারেল তার বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সার্বভৌম বাংলাদেশের রূপকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল বীর শহিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যাদের  আত্মোৎসর্গ ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি আমাদের মহান স্বাধীনতা। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও স্বাধীনতার এই ৫২ বছরে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রায় সকল সূচকে বাংলাদেশ আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করেছে, কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন। তিনি বলেন বাংলাদেশের সফলতার গল্প আজ বিশ্বব্যাপী প্রচারিত ও প্রশংসিত। তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে, যা অনেক দেশের কাছে উন্নয়নের রোল-মডেল ও প্রেরণার উৎস।সরকারের সময়োপযোগী নীতি-পরিকল্পনা ও জনবান্ধব উদ্যোগ এবং জনগণের প্রচেষ্টা, দক্ষতা, সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী শক্তির কারণে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে বলে, তিনি মন্তব্য করেন। কনসাল জেনারেল ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য উপস্থিত সকলকে আহবান জানান।

    জাতির পিতা ও সকল শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা এবং শান্তির জন্য বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।




    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কর্তৃক যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালন

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালন করেছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। এরপর, দিবসটি উপলক্ষ্যে ১৯৭১ এর গণহত্যার উপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। কনসাল জেনারেল গণহত্যা দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন।




    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩ উদযাপন


    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস ২০২৩’ যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্‍যের সাথে উদযাপন করেছে। কনস্যুলেটে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। কনস্যুলেটের ‘কনফারেন্স হল’-এ ইস্তাম্বুলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী বৃন্দের এবং তুরস্কের মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে  মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। এরপর, দিবসটি উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর উপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    কনসাল জেনারেল তার বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সার্বভৌম বাংলাদেশের রূপকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। শিশুরা যেন সৃজনশীল, মননশীল এবং মুক্ত মনের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে, সেজন্য বঙ্গবন্ধু অনেক প্রাসঙ্গিক এবং দূরদর্শী কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন বলে কনসাল জেনারেল উল্লেখ করেন। বঙ্গবন্ধু শিশুর শিক্ষার বিষয়ে খুবই সচেতন ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক করেছিলেন এবং ১৯৭৩ সালে প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণের মাধ্যমে ৩৭ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করেন। বঙ্গবন্ধুর শিশুদের প্রতি অগাধ স্নেহের বর্ণনা দিতে গিয়ে কনসাল জেনারেল বলেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে নির্বাহী আদেশ জারির মাধ্যমে যুদ্ধশিশুদের বিশ্বের নানা দেশে দত্তকের ব্যবস্থা করেন। আজকের শিশুরাই ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার প্রধান শক্তি বলে কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন। তিনি উপস্থিত শিশু-কিশোরদের বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবন ও কর্ম সম্বন্ধে জানার জন্য অসামাপ্ত আত্মজীবনী পড়তে উৎসাহিত করেন।

    উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিগণ আলোচনায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। আলোচকবৃন্দ আমাদের মহান স্বাধীনতা অর্জন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধুর অনন্যসাধারণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। উপস্থিত সকলেই দেশের উন্নয়নে স্বতঃস্ফূর্ত ও সক্রিয় অংশগ্রহণের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। বিশিষ্ট তুর্কি সাংবাদিক জনাব আহমেদ জোস্কুনাইদিন বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, দর্শন ও চিন্তাভাবনা এখনো প্রাসঙ্গিক। তিনি বঙ্গবন্ধুকে একজন ‘বিশ্ব নেতা’ হিসেবে মন্তব্য করেন।

    দিবসটি উপলক্ষ্যে শিশু-কিশোরদের জন্য বাংলাদেশের পতাকা, মানচিত্র, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর উপর বিশেষ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং উৎফুল্ল শিশু-কিশোরদের সাথে নিয়ে কেক কাটেন




    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ইস্তাম্বুল কর্তৃক ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উদযাপন





    মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

     

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৩ যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করেছে। কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির শুরু হয়। এরপর, কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলমের নেতৃত্বে মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ প্রভাতফেরির মাধ্যমে ভাষা শহিদদের স্মরণে কনস্যুলেটে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

    বিকালে ইস্তাম্বুলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী বৃন্দের এবং তুরস্কের মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনার শুরুতে ভাষা শহিদ এবং সম্প্রতি তুরস্কের ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে একমিনিট নিরাবতা পালন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। এরপর, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও ভাষা আন্দোলন’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্রটি প্রদর্শন করা হয়। কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম তার বক্তব্যে মাতৃভাষা বাংলার অধিকার আদায়ে জীবন উৎসর্গকারী সকল ভাষা শহিদ এবং ভাষা সৈনিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠাসহ জাতীয় গুরূত্বপূর্ণ সকল সংগ্রাম ও লড়াইয়ে নেতৃত্বপ্রদানকারী স্বাধীনতার মহান স্থপতি, সর্বকালের সর্বশেষ্ঠ বাঙ্গালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

    কনসাল জেনারেল বলেন, মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন এবং ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করার জন্য জীবন-উৎসর্গ পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। একুশে ফেব্রুয়ারি এখন দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক দিবসে পরিণত হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ফলে আমাদের মহান ভাষা আন্দোলন বৈশ্বিক সম্পদে পরিণত হয়েছে, যা জাতি হিসেবে আমাদেরকে আরো সম্মানিত, গৌরবান্বিত ও মর্যাদাবান করেছে। কনসাল জেনারেল তুরস্কে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে অমর একুশের চেতনা ও প্রেরণাকে ধারণ ও লালন করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলায় স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করার আহবান জানান। তিনি বাংলা ভাষা, ইতিহাস, সাহিত্য ও সৃষ্টিশীল কর্ম তার্কিশ ভাষায় অনুবাদ করার মাধ্যমে তুর্কি জনগণের নিকট তুলে ধরার জন্য তুরস্কের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করেন।  

    উন্মুক্ত আলোচনায় প্রবাসী বাংলাদেশীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং তুরস্কে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিকাশে তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ ব্যক্ত করেন। কনস্যুলেটের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের প্রশংসা করে, উপস্থিত অতিথিবৃন্দ কনস্যুলেটকে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনব্যক্ত করেন। ভাষা শহিদ ও তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত এবং বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও বিশ্বশান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। আলোচনার শেষে একটি মনোজ্ঞ কবিতা পাঠের আয়োজন করা হয়, যেখানে বাংলাদেশী ও তুর্কি আবৃতিকারগণ শহিদ দিবস ও দেশপ্রেমের কবিতা আবৃতি করেন, যা উপস্থিত দর্শকদেরকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করে।

    পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট:  https://www.dailysabah.com/arts/istanbuls-bangladeshi-community-celebrates-mother-language-day/news



    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের উদ্যোগে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা, শিক্ষক-ছাত্র বিনিময় এবং গবেষণাধর্মী প্রকাশনায় অংশীদারিত্বের উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় । পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) জনাব মাসুদ বিন মোমেন এর উপস্থিতিতে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান এবং ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আক।

    পররাষ্ট্র সচিব তার বক্তব্যের শুরুতে এই উদ্যোগের সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পররাষ্ট্র সচিব আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে শিক্ষা ও গবেষণায়  সহযোগিতা সম্প্রসারণের ফলে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার সম্পর্ক আরো সুসংহত ও গতিশীল হবে । এ ধরনের উদ্যোগ ও পদক্ষেপের ফলাফল অত্যন্ত ইতিবাচক ও সুদূর প্রসারী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এটি দু’দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও শিক্ষা সহযোগিতাকে আরো বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামকের ভূমিকা পালন করবে ।

    কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলমের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান, ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর অধ্যাপক ড.  মাহমুত আক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আখতারুজ্জামান বলেন, চতুর্দশ শতাব্দী থেকে আমাদের দুই অঞ্চলের জনগণ ঐতিহাসিক সম্পর্কে আবদ্ধ। তুরস্কের কামাল আতাতুর্কের আদর্শ, দর্শন ও নীতি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের জনগণকে অনুপ্রাণিত ও উজ্জ্বীবিত করেছে বলে,  তিনি মন্তব্য করেন। ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর অধ্যাপক ড. মাহমুত আক বলেন, ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ফলে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে, ফলশ্রুতিতে দু’দেশের মধ্যকার সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরো একধাপ এগিয়ে যাবে।

    এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ- তুরস্ক সম্পর্ককে আরো গভীর ও শক্তিশালীকরণে ভূমিকা রাখবে, এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে কনসাল জেনারেল অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। পত্রিকায় প্রকাশিত এই সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট:

    Dhaka University signs MoU with Istanbul University on partnership | Prothom Alo 

    https://www.dhakatribune.com/bangladesh/2023/01/04/dhaka-university-signs-mou-with-istanbul-university-for-partnership-exchanges

    https://www.dhakapost.com/campus/164903

    https://www.banglatribune.com/educations



    মহান বিজয় দিবস ২০২২ উদযাপন

    ইস্তাম্বুলস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদায় ও উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস ২০২২ উদযাপন করেছে। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুরু হয় সকালে কনস্যুলেটে প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে।এরপর, দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী সমূহ পাঠ করেন কনস্যুলেটের কর্মকর্তাবৃন্দ। শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এবং শান্তির জন্য বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে সকালের কর্মসূচি শেষ হয়।

    অনুষ্ঠানের ২য় ভাগে, কনস্যুলেটের কনফারেন্স হলে, তুরস্কের মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং ইস্তাম্বুলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীবৃন্দের অংশগ্রহণে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনার শুরুতে, কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলমের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করা হয়।

    কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম তার বক্তব্যে স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ, যাদের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিজয়ের এই ৫১ বছরে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রায় সকল সূচকে বাংলাদেশ আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করেছে, কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন। তিনি বলেন বাংলাদেশের সফলতার গল্প আজ বিশ্বব্যাপী প্রচারিত ও প্রশংসিত। তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে, যা অনেক দেশের কাছে উন্নয়নের রোল-মডেল ও প্রেরণার উৎস।সরকারের সময়োপযোগী নীতি-পরিকল্পনা ও জনবান্ধব উদ্যোগ এবং জনগণের প্রচেষ্টা, দক্ষতা, সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী শক্তির কারণে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে বলে, কনসাল জেনারেল মন্তব্য করেন।

    কনসাল জেনারেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করার জন্য সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকে আহবান জানান। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরকার অনুমোদিত পথে রেমিট্যান্স পাঠানো ও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করেন। অনুষ্ঠানে আলোচকবৃন্দ, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক সামনের দিনগুলিতে আরো সুদৃঢ়, প্রসারিত ও অর্থবহ হবে বলে, আলোচকবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    আলোচনার শেষে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনা ও দেশপ্রেমের কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ফুটিয়ে তোলা হয়, যা উপস্থিত দর্শকদেরকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করে। তুর্কি গবেষক ও লেখক ড. মুসা তোপকায়া বাংলাদেশের প্রথিতযশা কবি নির্মলেন্দু গুণের স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো” কবিতার তার্কিশ অনুবাদটি আবৃত্তি করেন। এছাড়া, কোচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক ও কবি ড. নাজমি আউল বাংলাদেশের উপর স্বরচিত কয়েকটি কবিতা আবৃত্তি করেন। পত্রিকায় প্রকাশিত বিজয় দিবস উদযাপন সংক্রান্ত নিউজ রিপোর্ট:

    https://www.bd-pratidin.com/probash-potro/2022/12/18/840026

    https://www.dailysabah.com/arts/events/istanbuls-bangladeshi-community-celebrates-victory-day



    শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২২ পালন

    বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ মর্যাদায় ভাবগম্ভীর পরিবেশে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করে। দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম তার বক্তব্যে স্বাধীনতার মহান স্থপতি সর্বকালের সর্বশেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি বিনম্র শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন শহিদ বুদ্ধিজীবীগণকে। কনসাল জেনারেল নূরে-আলম তার বক্তব্যে ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের হত্যাকান্ডকে  বিশ্বের ইতিহাসে একটি কলঙ্কময় দিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির নিশ্চিত বিজয় আসন্ন আঁচ করতে পেরে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী দেশের শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, আইনজীবী, শিল্পী, প্রকৌশলী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদসহ দেশের মেধাবী সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করে। বুদ্ধিজীবীদের এই নির্মম হত্যাকান্ড ছিল বাঙালি জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি, কনসাল জেনারেল যোগ করেন।


    ইস্তাম্বুলের মেয়র ইক্রেম ইমামওলু এর সাথে বাংলাদেশ কনসাল জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ নূরে-আলম গত ১৮ আগস্ট ২০২২ তারিখে ইস্তাম্বুলের মেয়র ইক্রেম ইমামওলু এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    সাক্ষাতকালে উভয়ে বাংলাদেশ-তুরস্ক এর মধ্যকার বিরাজমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। মেয়র ইক্রেম ইমামওলু ঢাকা সিটিকর্পোরেশন ও ইস্তাম্বুল মেট্রোপলিটন মিউন্যাসিপালিটি্র মধ্যে নাগরিক সেবা, পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, বজ্র্য-ব্যবস্থাপনা ও সৌন্দর্য-বর্ধন সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির প্রস্তাবনা দেন। তিনি কনসাল জেনারেলের মাধ্যমে ঢাকা সিটিকর্পোরেশনের মেয়রকে ইস্তাম্বুল সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে কনসাল জেনারেল নূরে-আলম মেয়র ইমামওলুকে সুবিধাজনক সময়ে ঢাকা সফরের নিমন্ত্রণ জানান। কনসাল জেনারেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের গৌরবময় জীবন-সংগ্রাম ও কীর্তি কে ইস্তাম্বুলে আরো বড় পরিসরে পরিচিত করিয়ে দেওয়ার জন্য মেয়রের সহযোগিতা কামনা করেন।

    মেয়র ইক্রেম ইমামওলু বলেন, দু’দেশের জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃপ্রতীম ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। তিনি ইস্তাম্বুলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা প্রদানে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মকান্ডে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন ।  

    কনসাল জেনারেল নূরে-আলম মেয়রকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী নকশীকাঁথা উপহার দেন।                                                                                                                                                                                                                                                                                                                  



    ইস্তাম্বুলের গভর্নর আলি ইয়েরলিকায়া এর সাথে বাংলাদেশ কনসাল জেনারেলের সৌজন্য সাক্ষাৎ 

    ইস্তাম্বুলে নিযুক্ত বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল জনাব মোহাম্মাদ নূরে-আলম গত ৩০ জুন ২০২২ তারিখে ইস্তাম্বুলের গভর্নর জনাব আলি ইয়েরলিকায়া এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত  করেন।

    সাক্ষাতকালে উভয়ে বাংলাদেশ-তুরস্ক এর মধ্যকার বিরাজমান ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। কনসাল জেনারেল রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশকে সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা, বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য তুরস্কের জনগণ ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে দ্রুত প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক ফোরামে তুরস্কের সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে রোহিঙ্গা সংকটের আশু সমাধানের জন্য তুরস্কের সরকার ও জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত  থাকবে  বলে গভর্নর জনাব আলি ইয়েরলিকায়া প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত ব্যক্ত করেন। কনসাল জেনারেল নূরে-আলম দুই ঐতিহাসিক নগরী- ঢাকা ও ইস্তাম্বুল- এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা (সিস্টারসিটি) প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবনা দেন। উভয় পক্ষ এই ব্যাপারে একত্রে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ কনসাল জেনারেল উভয় দেশের মধ্যকার বানিজ্য ০২ (দুই) বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে তুরস্ক সরকারের উদ্যোগ ও সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে গভর্নর বানিজ্য-বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন ।

    গভর্নর জনাব আলি ইয়েরলিকায়া বলেন, বাংলাদেশ-তুরস্ক ভ্রাতৃপ্রতীম রাষ্ট্র। ইস্তাম্বুলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সেবা প্রদানে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সাথে কাজ করতে গভর্নর-অফিস বদ্ধ-পরিকর বলে, গভর্নর মন্তব্য করেন।

    কনসাল জেনারেল নূরে-আলম ইস্তাম্বুল গভর্নরকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী নকশীকাঁথা উপহার দেন।                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                               


    Consul General Mohammed Nore-Alam participated in the Turkish Cuisine Week held in Balikesir on 20-22 May 2022.